ssaviation
বাংলাদেশে প্রথম গত ৮ মার্চ করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর থেকে আজ ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ১৩ হাজার ১২৮ জনের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ১২ জনকে কোভিড-১৯ পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। হিসেব করলে দেখা যায় যে, যাদের রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে তার মধ্যে ৭.৭ ভাগই কোভিড-১৯ পজিটিভ হচ্ছেন। করোনা আক্রান্তের এই হার উদ্বেগজনক।
অন্যদিকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ১২ জন আক্রান্তের বিপরীতে মৃত্যুর সংখ্যা ৪৬ জন। শতকরা হিসেবে আক্রান্তের ৪.৫ ভাগই মৃত্যুবরণ করেছেন। এই সংখ্যাটাও  উদ্বেগ জনক।
তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রায় ১৮ কোটির জনসংখ্যার এই দেশে অন্তত ১ লাখ মানুষের পরীক্ষা না করা হলে প্রকৃত অবস্থা বোঝা যাবে না। তবে এখন ৭.৭ ভাগ হারে যে কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া যাচ্ছে। সেটাও উদ্বেগজনক। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, বাংলাদেশ করোনা সংক্রমণের চতুর্থ ধাপে পৌঁছেছে। তাছাড়া দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হারটাও উচ্চ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এর মাধ্যমে একটা জিনিস প্রমাণিত যে, বাংলাদেশে নমুনা পরীক্ষার হার খুবই কম। করোনা চিকিৎসার জন্য এখন পর্যন্ত বিশেষায়িত চিকিৎসা ব্যবস্থা বাংলাদেশে সঠিকভাবে কাজ করছে না। দ্রুত মুমূর্ষু করোনা রোগীদের সর্বাধুনিক এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।আর বেশী করে দরকার পরীক্ষা, পরীক্ষা এবং পরীক্ষা।
উবাভ নিউজ ডেস্ক/জামান

একটি উত্তর দিন

অনুগ্রহ পূর্বক আপনার মন্তব্য লিখুন
অনুগ্রহ পূর্বক এখানে আপনার নাম লিখুন

eleven + 17 =